ভিতরে

বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে : ডা. এনামুর রহমান

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মো: এনামুর রহমান বলেছেন, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করে টেকসই উন্নয়নের অভীষ্ট ও বদ্বীপ পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে সরকার। 
তিনি বলেন, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জৈবিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে একীভূত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ বুধবার ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আয়োাজিত “অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জাতীয় কৌশলপত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন” বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোহসীনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী শম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশ ২০২৪ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের পর্যায়ের যাওয়ার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে। এই কর্মকৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতি প্রতিরোধ এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে যথাযথভাবে পুনর্বাসন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত বন্যা, গ্রীষ্মকালীন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও খরাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হয়ে থাকে। এসব দুর্যোগ নাজুক ও ঝুঁকিপূর্ণ সামাজিক অবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে মানুষের প্রাণহানি, অবকাঠামোর ক্ষতি এবং জীবন ও জীবিকার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে বর্তমানে যে পরিমাণ বাস্তুচ্যুতি ঘটছে তার মাত্রা ও তীব্রতা আসন্ন বছরগুলোতে আরো অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের একক বৃহত্তম ক্ষতিকর রূপ হতে যাচ্ছে অভিবাসন ও বাস্তুচ্যুতি।
এনামুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২১০০ সালের মধ্যে নিরাপদ, জলবায়ু সহিষ্ণু এবং সমৃদ্ধ ব-দ্বীপ অর্জনের লক্ষ্যে “বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২০২১” প্রণয়ন করেছে। এই পরিকল্পনায় প্রতীয়মান হয় যে, দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসন ও বাস্তুচ্যুতি নগরায়নের ওপর  চাপ বাড়াচ্ছে। তাই সুশৃংখল অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে নগরগুলো থেকে এই চাপ সুষ্ঠুভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। 
সভাপতির বক্তৃতায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোহসীন বলেন, বাংলাদেশ সরকারের রূপকল্প হচ্ছে মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধন করে ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট
উত্তর দিন

মন্তব্য করুন

বঙ্গবন্ধুর গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশের বর্তমান উন্নয়ন : স্পিকার

ইতিহাসে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সমার্থক হয়ে থাকবে : শ ম রেজাউল