ভিতরে

বিশ্বকাপ বাছাই: ওলোমোর শেষ মুহূর্তের গোলে রক্ষা পেল স্পেন

ইনজুরি টাইমে ডানি ওলোমোর গোলে রোববার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে জর্জিয়ার বিপক্ষে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় ছিনিয়ে নিয়েছে স্পেন।
জর্জিয়ান গোলরক্ষক জর্জিও লোরিয়া ওলোমোর ২৬ মিটার দুর থেকে শট আটকানোর সাধ্য ছিলনা। দ্বিতীয়ার্ধে যে চাপ স্পেন জর্জিয়ার উপর দিয়েছিল তার সফল সমাপ্তি করেই বাড়ি ফিরেছে।
এর আগে ফেরান টোরেসের দ্বিতীয়ার্ধের গোলে সমতা ফিরিয়েছিল স্পেন। ম্যানচেস্টার সিটির এই উইঙ্গার গত ছয় ম্যাচে পঞ্চম গোল করলেন। বিরতির আগে খিভিচা কেভারটাসকেলিয়ার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল জর্জিয়া। কিন্তু আরবি লিপজিগের ওলোমো শেষ মুহূর্তে লুইস এনরিকের দলকে রক্ষা করেছেন। বৃহস্পতিবার গ্রীসের সাথে বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছিল স্পেন।
এই জয়ে আরো একটি রেকর্ড গড়েছে স্পেন। ১৯৯৩ সালে ডেনমার্কের কাছে সর্বশেষ ১-০ গোলে পরাজিত স্পেন বিশ^কাপ বাছাইপর্বে ২৮ বছরে ৬৫টি ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। বুধবার ঘরের মাঠ সেভিয়াতে গ্রুপ-বি’র এবারের পর্বের শেষ ম্যাচে তারা কসোভোকে আতিথ্য দিবে।
গ্রীসের বিপক্ষে ম্যাচটি থেকে সাতটি পরিবর্তন করে কাল মূল দল সাজিয়েছিলেন এনরিকে। পর্তুগীজ লিগের শীর্ষে থাকা স্পোর্টিং লিসবন থেকে ধারে ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলতে আসা ফুল-ব্যাক পেড্রো পোরোর কাল জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়েছে। এছাড়া সেভিয়া থেকে ধারে এইবারে খেলতে আসা ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ব্রায়ান গিলের সাথে বার্সেলোনা মিডফিল্ডার পেড্রিও কাল মূল একাদশে সুযোগ পেয়েছেন। গ্রীসের বিপক্ষে উভয়ই বদলী হিসেবে খেলতে নেমেছিলেন। এ্যাথলেটিকো বিলবাওর উনাই সিমন গোলবারে নিজের জায়গা ধরে রেখেছিলেন। ১৮ মিনিটে গুরাম কাশিয়ার হেড দারুন দক্ষতায় তিনি রুখে দেন।
বিশ^ র‌্যাঙ্কিংয়ের ৮৯তম স্থানে থাকা জর্জিয়া ২০১৮ সালের বিশ^্কাপ বাছাইপর্বে কোন ম্যাচ জিততে পারেনি। কিন্তু সাবেক বায়ার্ন মিউনিখ ও ফ্রান্সের ডিফেন্ডার ও দলের নতুন কোচ উইল সাগনোলের অধীনে তারা প্রথম জয়ের আশা করেছিল। ৪৩ মিনিটে ওটার কেটেশিভলির এসিস্টে ২০ বছর বয়সী রুবেন কাজানের উইঙ্গার কেভারটাসকেলিয়া কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ালে এগিয়ে যায় জর্জিয়া। বিরতির পর দুটি পরিবর্তন করেন এনরিকে। গিলের পরিবর্তে ওলোমো মাঠে নামেন। এছাড়া লিডস ইউনাইটেড সেন্টার-ব্যাক দিয়েগো লোরেন্টের স্থানে মাঠে নামেন ইনিগো মার্টিনেজ। দ্বিতীয়ার্ধে সফরকারীরা আরো বেশী প্রভাব বিস্তার করে খেলতে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় জোর্দি আলবার ক্রস থেকে টোরেস ৫৬ মিনিটে সমতা ফেরান। ম্যাচটি যখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকেই যাচ্ছিল ঠিক সেই মুহূর্তে ইনজুরি চাইমে ওলোমো দলের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

শেফস টেবিলের ৩৬ রেস্টুরেন্টে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য উদঘাটন

বিশ্বকাপ বাছাই: এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসের দিনে ফ্রান্সের জয়