ভিতরে

কুমিল্লার গোয়ালমারী-জামালকান্দি যুদ্ধ দিবস পালিত

 জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোয়ালমারী-জামালকান্দি যুদ্ধ দিবস উপলক্ষে স্মরণসভা ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেলে উপজেলার গোয়ালমারী বাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ দাউদকান্দি উপজেলা কমান্ডের আয়োজনে এ স্মরণসভা ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।
দাউদকান্দি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা  সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে স্মরণসভা ও মিলাদ মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ন কবির, লিয়াকত আলী, মিন্টু মোল্লা, আব্দুল মতিন প্রমুখ। স্মরণসভা ও মিলাদ মাহফিল শেষে গোয়ালমারী বাজারে অবস্থিত পাকসেনাদের হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হওয়া ইয়াসমিন পাগলীর কবর জিয়ারত করেন।
দাউদকান্দি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম বাসসকে বলেন,  ১৯৭১ সালের ২০ নভেম্বরে কুমিল্লার দাউদকান্দির গোয়ালমারী-জামালকান্দিতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধে শহীদ হন জামালকান্দি গ্রামের আব্দুর রহমান সরকার, সাইদুর রহমান, আছিয়া খাতুন, সামছুন্নাহার ও তার কন্যা রেজিয়া খাতুন, কামাইরকান্দি গ্রামের গিয়াসউদ্দিন, সুন্দলপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমীন এবং রফারদিয়া গ্রামের মোস্তাক আহমেদ। সোনাকান্দা গ্রামের শহীদ উলাহ, রফারদিয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম এবং গোয়ালমারী বাজারের ইয়াসমীন পাগলিী। এ দিনটির কথা স্বরণ হলে এখনও এলাকাবাসীর গা শিউরে উঠে। তিনি বলেন, এ যুদ্ধে সাবেক মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে যে সব মুক্তিযোদ্ধারা বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছিলেন তারা হলেন ওহাব সরকার, ফজলু সরকার, আব্দুল কুদ্দুস সরকার, খোরশেদ আলম আবুল হোসেন, কে.এম.আই খলিল, হুমায়ুন কবির, আবুল বাশার, শাহজাহান মিয়া, মতলবের আব্দুল অদুদ সহ আরো অনেকেই।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

কুমিল্লার পিঠার দোকানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা

নাটোরে পাট খাতের উন্নয়নে উদ্বুদ্ধকরণ সমাবেশ