ভিতরে

এলডিসি উত্তোরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তোরণের পর বাংলাদেশ অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। তাই এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ২০২৬ সালের আগেই নানা ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) বা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাড়তি বাণিজ্য সুবিধা আদায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 
তিনি আজ ঢাকায় একটি হোটেলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ আয়োজিত এলডিসি উত্তোরণ বিষয়ক জাতীয় সেমিনারের প্রথম কর্মঅধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ^বাণিজ্য সংস্থার বিধিবিধানের আলোকে বাংলাদেশ দক্ষতার সাথে কাজ করে এগিয়ে যেতে চায়। এলডিসি উত্তোরণের পর আমাদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যাবে, এজন্য নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সকলকে কাজ করে যেতে হবে। 
তিনি বলেন, আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরী পোশাক। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু বড় বাজার রয়েছে। প্রতিবেশি ভারতেও তৈরী পোশাক রপ্তানি হচ্ছে। ভারতের মত বড় বাজারে রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে।
টিপু মুনশি আরও বলেন, কেবলমাত্র তৈরী পোশাকের মত একক পণ্যের উপর নির্ভরশীল না থেকে রপ্তানি পণ্যের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এর জন্য তিনি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন।
সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১০০ স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। অনেকগুলোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিভিন্ন কোম্পানি সেখানে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি বলেন, আমাদের বিপুলসংখ্যক জনশক্তি রয়েছে, তাই বিদেশী বিনিয়োগকারিরা এখানে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারেন।
সেমিনারে সঞ্চালক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। প্রথম কর্মঅধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং প্যানেল আলোচক ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশনের ডেপুটি হেড অব মিশন ড. বার্ন্ড স্পেনিয়ার এবং গবেষণা সংস্থা র‌্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক। দ্বিতীয় কর্মঅধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং আলোচক ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (ডিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট রিজওয়ান রহমান এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের কান্ট্রি অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ।  

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুর

আগামী জানুয়ারি থেকে বৈদেশিক মুদ্রার সমস্যা কেটে যাবে : গভর্নর