ভিতরে

নড়াইলে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

 চলতি রবি মৌসুমে জেলার ৩ উপজেলায় ৩ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।এ জেলায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৩ হাজার ৭৯৬ মেট্রিক টন। সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠে কৃষকরা শীতকালীন সবজির চাষাবাদ শুরু করেছেন।ইতোমধ্যে জেলায় ৭শ’ ১৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার শীতকালীন সবজির চাষ সম্পন্ন হয়েছে।এ মৌসুম শুরু থেকে শীতকালীন সবজির দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা আগ্রহ সহকারে শীতকালীন শাক-সবজি চাষ শুরু করেছেন। 
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে,চলতি মাসের শুরু থেকে  শীতকালীন সবজির চাষ আবাদ শুরু হয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে সদর,লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলায় ৩ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১হাজার ২শ’ ১০ হেক্টর জমিতে, লোহাগড়া উপজেলায় ৬৭৫ হেক্টর জমিতে এবং কালিয়া উপজেলায় ১হাজার ১শ’ ২০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।  
জেলা সদরের রুপগঞ্জ বাজার সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে শীতকালীন ফুলকপি খুচরা বাজারে প্রতিকেজি ৫০-৫৫ টাকা দরে, বাঁধা কপি প্রতিকেজি ৩০-৩৫টাকা,পালং শাক প্রতি কেজি ৪০টাকা, শিম প্রতিকেজি ৪০-৫০টাকা,বেগুন প্রতিকেজি ৫০টাকা,লাউ সাইজ ভেদে প্রতি পিস ৪৫-৫০টাকা, টমেটো প্রতিকেজি ১২০টাকা,ঢেঁড়স প্রতিকেজি ৪০টাকা, উচ্ছে প্রতিকেজি ৬০টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিকেজি ৩০-৩৫ টাকা,শসা প্রতিকেজি ৪৫-৫০ টাকা,লাল শাক ও সবুজ শাক প্রতিকেজি ৪০-৪৫ টাকা,মূলা প্রতিকেজি ১৫-২০টাকা,পেঁপে প্রতিকেজি ১৫টাকা, পটল প্রতিকেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে যে সব শীতকালীন সবজি পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো মৌসুমের আগে লাগানো। আগাম শীতকালীন সবজি চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ায় দাম বেশি বলে জানান সবজি চাষিরা।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার জানান,সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা শীতকালীন সবজি উৎপাদনের জন্য উর্বর ভূমি।এখানে উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজির চাহিদা সর্বত্র রয়েছে। 
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায় জানান, শীতকালীন সবজি চাষের জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক সহজশর্তে চাষিদের লোন দিয়েছে।বাজারে শীতকালীন সবজি পুরোপুরিভাবে ওঠা শুরু করলে দাম তুলনামূলকভাবে কমবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি রবি মৌসুমে শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। 

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

সোনাগাজীতে বীজ-সার পাচ্ছেন ৬৩৭০ কৃষক

বিশ্বকাপে অংশ নেয়া সর্বাধিক খেলোয়াড় সমৃদ্ধ পাঁচ ক্লাব