ভিতরে

ট্রফি জিততে না পারলেও বাবরের দৃষ্টিতে সতীর্থরা ‘যোদ্ধা’ 

অনেক কিছুর পর ফাইনালে উঠেও  অষ্টম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা স্পর্শ করতে ব্যর্থ হয়েছে  পাকিস্তান ক্রিকেট দল। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে খাদের কিনারায় চলে যাওয়া পাকিস্তান ঘুড়ে দাঁড়িয়ে ফাইনাল  খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। 
কিন্তু মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে ৫ উইকেটে হেরে শিরোপা বঞ্চিত হয় উপমহাদেশের দলটি। 
ফাইনাল জিতে ১৯৯২ সালের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন ছিলো পাকিস্তানের। ১৯৯২ সালে ওয়ানডে বিশ^কাপেও খাদের কিনারা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে শিরোপা জিতেছিলো ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন দলটি। 
তবে এবারের আসরের ট্রফি জিততে না পারার হতাশা থাকলে সতীর্থদের ‘যোদ্ধা’ হিসেবে অবিহিত করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। 
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফাইনাল হারের কারন, নিজেদের ভুল ও সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে ভুল করেননি বাবর। একই সঙ্গে প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড দলকে শুভেচ্ছা জানানোর সাথে মাঠে উপস্থিত পাকিস্তানের সমর্থকদেরও প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন বাবর।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  সতীর্থদের প্রকৃত ‘যোদ্ধা’ বলে  অভিহিত করেছেন বাবর। 
ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারলেও পুরো আসরে সতীর্থদের লড়াইয়ে গর্বিত বাবর। ফাইনালে হারের হতাশা থাকলেও সতীর্থদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন তিনি। 
ম্যাচের পরে টুইটারে এক টুইটে বাবর লিখেছেন, ‘দল নিয়ে সত্যিই আমি গর্বিত । তোমরা সবাই যোদ্ধার মতো লড়াই করেছো। সাপোর্ট করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। পাকিস্তান জিন্দাবাদ।’
ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৭ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ১ ওভার বাকী রেখে জয়ের স্বাদ নেয় ইংল্যান্ড। 
ম্যাচ শেষে ২০ রান কম করার আক্ষেপ ঝড়েছে বাবরের কন্ঠে, ‘আমাদের ২০ রান কম হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লড়াই করা অবিশ্বাস্য ব্যাপার। ফাইনাল খেলাটাও গর্বের বিষয়, সতীথর্রা দুর্দান্ত লড়াই করেছে, কখনও হাল ছাড়েনি।’
দলের আক্রমন বিভাগকে  বিশ্ব সেরা বোলিং উল্লেখ করেছেন বাবর। ফাইনালের শেষ দিকে দলের সেরা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি হাঁটুর ইনজুরিতে না পড়লে, ম্যাচে ফল অন্যরকম হতো বলে মনে করেন বাবর। তিনি বলেন, ‘আমাদের বোলিং বিভাগ বিশ্বের অন্যতম সেরা। দুর্ভাগ্যবশত ম্যাচের শেষ দিকে আফ্রিদির ইনজুরি বড় ধাক্কা দিয়েছে আমাদের। নয়তো ম্যাচের ফল অন্য রকম হতে পারতো। কিন্তু এটা খেলারই অংশ। এসব মেনে নিতেই হবে।’ 
দলের সতীর্থদের প্রশংসা করতে বাবর আরও বলেন, ‘যেভাবে শেষ চার ম্যাচে সতীর্থরা খেলেছে, তা ছিলো এককথায় অবিশ্বাস্য। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দল। সতীর্থদের দুর্দান্ত লড়াইয়ের কারনেই আমরা ফাইনালে খেলতে পেরেছি।’
যোগ্য দল হিসেবেই ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলে জানান বাবর, ‘ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন, তারা দারুণ ক্রিকেট খেলেছে। চ্যাম্পিয়ন হবার যোগ্য তারা। মেলবোর্ন আমাদের ঘরের মাঠের মতো মনে হচ্ছিল। প্রতিটি মাঠেই আমরা সমর্থন পেয়েছি। ভক্তদের অসংখ্য ধন্যবাদ।’

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

ফুটবল বিশ্বকাপ: ট্রফি চলে এসেছে কাতারে, আসতে শুরু করেছে দল-সমর্থকরা

ইংল্যান্ডের ট্রফি ক্যাবিনেটে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি