ভিতরে

ভোলায় চীফ জুডিসিয়াল আদালত ভবন নির্মাণ কাজ শেষের দিকে

 জেলা সদরে চীফ জুডিসিয়াল আদালত ভবন নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ইতোমধ্যে ভবনটির ৮৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শহরের গাজীপুর রোডস্থ জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে ৮ তলা বিশিষ্ট স্থাপনাটি নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। ‘বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা সদরে চীফ জুডিসিয়াল আদালত ভবন নির্মাণ প্রকল্পে’র আওতায় গণপূর্ত বিভাগ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
১২ হাজার ৭২৩ বর্গফুট এলাকায় ভবনটি নির্মিত হচ্ছে ১২ তলা ফাউন্ডেশনের ভিত্তিতে। অত্যাধুনিক ভবনটিতে সব ধরণের আধুনিক সুযোগ-সুবিাধা থাকছে। চীফ জুডিসিয়াল আদালত ভবন নির্মাণের মধ্যে দিয়ে ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবিও পূরণ হতে চলছে। এটি চালু হলে স্থানীয় বিচারিক কাজে বাড়তি গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
জেলা গণপূুর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ. এস মুসা বাসস’কে জানান, ভবনটি নির্মাণের ইতোমধ্যে ৮৫ ভাগ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে ভবনটিতে রং লাগানো ও থাই এ্যালমোনিয়াম স্থাপনসহ অন্যান্য কাজ চলছে। এখানে এজলাস ভবন থাকছে ৯টি। রেকর্ড রুম থাকছে বেশ কটি। আধুনিক লাইব্রেরি, কনফরেন্স রুম ও লিগ্যাল এইডের জন্য আলাদা আলাদা কক্ষ থাকছে।
তিনি জানান, এছাড়া ভবনটিতে ২টি সার্বক্ষণিক লিফটসহ যাবতীয় আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে এটির কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের কাজ নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সীমিত পরিসরে ফৌজদারি কোর্টের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এতে করে বিভিন্ন সময়ে মামলার কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। বর্তমানে একই কক্ষ একাধিক বিচারক খাস কামরা হিসেবে ব্যবহার করেন। কক্ষ সংকটের কারণে একই এজলাস সময় পরিবর্তন করে বিচারক ব্যবহার করেন। অনেক সময় স্থান সংকুলান না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে মামলা উত্থাপনে বেগ পতে হয়।
স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আবু তাহের বলেন, বর্তমানে দেওয়ানী ও ফৌজদারি কোর্টের কার্যক্রম একই ভবনে হওয়ায় চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। চীফ জুডিসিয়াল আদালত ভবন চালু হলে জেলার সদর উপজেলাসহ বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান, লালমোহন, তজুমুদ্দিন উপজেলার ১০ লাখেরও বেশি মানুষ নিত্য ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে। মামলার কাজে গতি আসবে বলে মনে করেন তিনি।
চীফ জুডিসিয়াল মেজ্রিস্ট্রট কোর্ট’র এ্যসিস্ট্যেন্ট পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এ্যাডভোকেট মেজবাউল আলম বাসস’কে বলেন, দৈনিক চীফ জুডিসিয়াল কোর্টে গড়ে প্রায় ৬০টি মামলা উত্থাপন করা হয়। মাসে ৫০টির মতো মামলা নিস্পত্তি হয়। বর্তমানে বিচারিক কাজের জন্য এজলাস সংকট রয়েছে। আর তাই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ৪টি এজলাস কক্ষ চালু করা হয়েছে। তাই নতুন ভবনটি চালু হলে জনসাধরণের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

নড়াইলে ৫১তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

মাগুরায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত