ভিতরে

ভোলায় আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ

জেলায় ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের   প্রভাব কেটে যাওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়তে শুরু করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই মানুষজন নিজ নিজ বসত বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে যাচ্ছে। কেউ কেউ গবাদি পশু নিয়ে ফিরছেন। এর আগে সোমবার জেলায় ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের  প্রভাব শুরু হলে সাড়ে ৭৪ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেন।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়’র তান্ডবে জেলায় মৃতের সংখ্যা আরো একজন বেড়ে তিন জন হয়েছে। মৃতরা, হলেন, দৌলতখান পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের বিবি খতেজা (৮০) ও চরফ্যাশন উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের মনির স্বর্নকার (৩৫) ও সদর উপজেলার ধনীয়া ইউনিয়নর বাসিন্দা মফিজুল হক (৬৫)।
জেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) এর উপ পরিচালক আব্দুর রশিদ বলেন, ঝড়ে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সকাল থেকেই আবহাওয়া ভালোর দিকে। তাই জেলার ৭৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র থেকে মানুষজন নিজ বাড়িতে ফিরছেন। গত রাতে এসব মানুষদের উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসাইন জানান, মৃত প্রত্যেক পরিবারকে সরকারিভাবে ২৫ হাজার করে টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু বসত ঘরের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
উপজেলা সদরের ধনীয়া ইউনিয়নের তুলাতুলী এলাকার বাসিন্দা লোকমান হোসেন ও রফিক মাঝি বলেন, সারা রাত আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে ছিলাম। এখন আবহাওয়া ভালো হওয়ায় ঘরে ফিরে যাচ্ছি।
অন্যদিকে জেলায় সকাল থেকেই আকাশ হালকা মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও কোন বৃষ্টিপাত নেই। মাঝে মাঝে রোদের দেখা মিলছে। নেই ঝড়ো হাওয়া। জনজীবন অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বেড়িবাঁধের বাইরে বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। 

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

পেনিক হাঁস পালন করে দারিদ্র্যতাকে জয় করেছে জয়পুরহাটের রোকেয়া

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ ও আসামিসহ নিহত ৩, আহত ২