ভিতরে

খাতুনগঞ্জের শ্রমিক মাঝি হত্যার ২ আসামি গ্রেপ্তার

 খাতুনগঞ্জের লেবার সর্দার মাসুদের নৃশংস হত্যাকান্ডের মূল হোতাসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। এ সময় হত্যাকা-ে ব্যবহৃত ছোরাও উদ্ধার করা হয়।
কোতোয়ালী থানা পুলিশ আজ জানায়, গত ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় খাতুনগঞ্জস্থ চাঁন মিয়া লেন সামির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠানের সামনে আসামি রাসেল মিয়া, সাদ্দাম, সোহাগসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন লেবার মাঝি মো. মাসুদকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি এবং ধারালো ছোরা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। এ ঘটনায় লেবার মাঝি মাসুদের ছেলে মো. বাবুল বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন। অন্যদিকে লেবার মাঝি মাসুদ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে শ্রমিকরা চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে মালামাল ওঠানো-নামানো বন্ধ করে দিলে সরাদিন অচল থাকে পণ্য পরিবহণ। হাজার হাজার শ্রমিকের বিক্ষোভে সমস্ত ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে। 
এদিকে, মামলার পর কোতোয়ালী থানা পুলিশ অভিযানে নামে। তারা আশেপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে আসামিদের শনাক্ত করে। আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত করে কোতোয়ালী পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে আসামি সোহাগকে গতকাল দুপুর দেড়টায় বাকলিয়া থানাধীন মোজাহের কলোনি থেকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য মতে পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) রুবেল হাওলাদার, এসআই মো. মোমিনুল হাসান ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মৃণাল কান্তি মজুমদার অফিসার ও ফোর্স নিয়ে কুমিল্লা জেলার বাঙ্গরাবাজার, ব্রাম্মনবাড়ীয়া জেলার নবীনগর, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, রুপগঞ্জ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ইং গতকাল রাত আড়াইটার দিকে ব্রাম্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর থানাধীন কাশিপুর এলাকা থেকে অপর আসামি সাইদুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। 
ধৃত আসামিরা জানায়, খাতুনগঞ্জস্থ চাঁন মিয়া লেন সামির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠানের সামনে রাস্তার ওপর পিকআপ রাখা নিয়ে তাদের সহযোগী রাসেল মিয়ার সাথে ১৭ অক্টোবর ভিকটিম মো. মাসুদ (৪০)-এর কথা কাটিকাটি হয়। রাসেল মিয়া তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল হতে চলে গেলেও ক্ষিপ্ত হয়ে পুনরায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে খাতুনগঞ্জস্থ চাঁন মিয়া লেইন সামির ট্রেডিং-এর সামনে সহযোগী আসামিদের নিয়ে এসে লেবার মাঝি মাসুদকে মারধর করতে থাকে। একপর্যায়ে আসামি সাইদুল তার পকেট থেকে টিপ ছোরা বের করে ছুরিকাঘাত করে। মারধর ও ছুরিকাঘাতে মাঝি মাসুদের মৃত্যু ঘটে। সাইদুলের দেয়া তথ্য মতে আজ ভোর ৫ টার দিকে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত ছোরা বাকলিয়া থানাধীন হাজী আমিনুর রহমান সড়কস্থ হিফস এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের দক্ষিণ পাশে খালি জায়গা  থেকে উদ্ধার করা হয়। 
গ্রেপ্তার আসামি মো. জসিমের পুত্র সোহাগ (২২) ও আলী হোসেনের পুত্র সাইদুল হোসেন (২২)  আমিন হাজী রোডের মাজাহের কলোনির ভাড়া বাসায় থাকে।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

সৎ সাহস থাকলে তারেক দেশে আসুক: কাদের

সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় বৃত্তি প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী