ভিতরে

চট্টগ্রামে আড়াই মাসে করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণ

 চট্টগ্রামে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। গত আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায়। এ সময়ে নতুন ৪৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সংক্রমণ হার ২৭ দশমিক ২১ শতাংশ।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আজকের রিপোর্টে এ সব তথ্য জানা যায়।
রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ও নগরীর দশ ল্যাবে গতকাল ১৬৯ জনের নমুনায় নতুন ৪৬ জন পজিটিভ পাওয়া যায়। এর মধ্যে শহরের ২৯ ও উপজেলার ১৭ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে হাটাহাজারী ও মিরসরাইয়ে ৫ জন করে, কর্ণফুলীতে ২ জন এবং রাঙ্গুনিয়া, পটিয়া, আনোয়ারা, বাঁশখালী ও সাতকানিয়ায় একজন করে রয়েছেন। জেলায় করোনাভাইরাসে মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ১ লক্ষ ২৯ হাজার ১৯৫ জন। সংক্রমিতদের মধ্যে শহরের ৯৪ হাজার ১৯৯ ও গ্রামের ৩৪ হাজার ৯৯৬ জন। করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৬৭  জনে দাঁড়িয়েছে। এতে শহরের ৭৩৭ ও গ্রামের ৬৩০ জন।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, সরকারি ল্যাবরেটরির মধ্যে ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে ৫টি নমুনা পরীক্ষায় শহরের একটিতে করোনার জীবাণু পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ৩৬ জনের নমুনায় শহরের ১৪ ও গ্রামের একজন আক্রান্ত শনাক্ত হন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৫টি নমুনার ৪টিতে করোনাভাইরাস মিলে। আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ ২৪ নমুনার মধ্যে শহরের ৪ ও গ্রামের ৭টিতে জীবাণুর উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।
বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি শেভরনে ১০টি নমুনা পরীক্ষায় শহর ও গ্রামের একজন করে করোনা পজিটিভ বলে জানানো হয়। ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৫০ জনের নমুনার মধ্যে গ্রাম ও শহরের ৪ জন করে ভাইরাসবাহক শনাক্ত হন। মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ৪টি নমুনায় শহরের একটি আক্রান্ত পাওয়া যায়। এভারকেয়ার হসপিটাল ল্যাবে পরীক্ষিত ৭ নমুনার মধ্যে শহরের ৪টিতে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ ছাড়া, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ৬, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ৫ ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ল্যাবে ৭ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়। তিন ল্যাবে ১৮ নমুনারই নেগেটিভ রেজাল্ট আসে।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে সংক্রমণ হার পাওয়া যায়, বিআইটিআইডি’তে ২০ শতাংশ, চমেকহা’য় ৪১ দশমিক ৬৬, সিভাসু’তে ২৬ দশমিক ৬৬, আরটিআরএলে ৪৫ দশমিক ৮৩, শেভরনে ২০, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ১৬, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ২৫ ও এভারকেয়ার হসপিটাল ল্যাবে ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালে ০ শতাংশ।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানির সুযোগ বাড়ছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেটে এক হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল অপরজনের মৃত্যুদন্ড কমে যাবজ্জীবন