ভিতরে

২৩৬৩ আনসার সদস্যের চাকরিতে পুনর্বহাল বিষয়ে আপিলের রায় ২ আগস্ট

১৯৯৪ সালে আনসার বিদ্রোহের ঘটনায় অভিযোগ থেকে খালাস পাওয়া রিটকারী ২৩৬৩ জনের চাকরিতে পুনর্বহালে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে শুনানি শেষ হয়েছে। 
আগামী ২ আগস্ট এ বিষয়ে রায় দেয়ার দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ রায়ের জন্য আজ এ দিন ধার্য করে আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার অনীক আর হক। আনসার ভিডিপি মহাপরিচালকের পক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও  এডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার কামাল উল আলম। 
বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে ১৯৯৪ সালের ৩০ নভেম্বর আনসার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। যা পরে বিদ্রোহে রূপ নেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ওই ঘটনায় পরে ২ হাজার ৬৯৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে কয়েকজনকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হলেও বাকি ২ হাজার ৪৯৬ আনসারকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
তাদের বিরুদ্ধে পৃথক ৭টি ফৌজদারি মামলাও করা হয়। এর মধ্যে ১৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। অভিযুক্তরা বিচারে খালাস পান। এ অবস্থায় তারা চাকরি ফিরে পেতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। কিন্তু তাদের চাকরিতে ফিরিয়ে নেয়া হয়নি।  ২০১৮ সালের বিভিন্ন সময়ে ২৩৬৩ জন চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।
শুনানি শেষে হাইকোর্টে তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের রায় দিয়েছিলেন। 
আইনজীবীরা জানান, ১৯৯৪ সালের ৩০ নভেম্বর সংঘটিত আনসার বিদ্রোহের ঘটনায় চাকরিচ্যুত আনসারদেরকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে যাদের শারীরিক-মানসিক সক্ষমতা আছে তারাই চাকরি ফেরত পাবেন। কিন্তু যাদের সক্ষমতা নেই তারা যতদিন চাকরিতে ছিলেন তাদেরকে ততদিনের পেনশন সুবিধা দিতে বলা হয়েছে রায়ে। আদালতের এ নির্দেশ রায় পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এরপর আনসার ভিডিপির মহাপরিচালক হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে যান।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

অবৈধ সম্পদ অর্জন : এস কে সিনহার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৩০ আগস্ট