ভিতরে

চট্টগ্রামে ১৬ জন করোনায় আক্রান্ত

 জেলায় নতুন ১৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। সংক্রমণ হার ৩ দশমিক ০৮ শতাংশ। তবে এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগির মৃত্যু হয়নি।
জেলার করোনা সংক্রান্ত হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আজকের রিপোর্টে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ও নগরীর দশ ল্যাব এবং এন্টিজেন টেস্টে গতকাল চট্টগ্রামের ৫১৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন পজিটিভ ১৬ জনের মধ্যে শহরের ১৪ ও হাটহাজারী উপজেলায় ২ জন। জেলায় করোনাভাইরাসে মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ১ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৯ জন। এর মধ্যে শহরের ৯২ হাজার ১৪৬ ও গ্রামের ৩৪ হাজার ৫৪৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে শহর ও গ্রামে কারো মৃত্যু হয়নি। জেলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৬২ জনই রয়েছে। এদের মধ্যে শহরের বাসিন্দা ৭৩৪ জন ও গ্রামের ৬২৮ জন।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে গতকাল ৭৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এখানেই সর্বোচ্চ শহরের ৭টি নমুনায় করোনার জীবাণু পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ২৪ জনের নমুনায় শহরের ২ জনের দেহে ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলে। আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ পাঁচটি নমুনার একটির পজিটিভ রেজাল্ট আসে।
বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি শেভরনে ৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় একজন, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ২৪ জনের নমুনার মধ্যে একজন, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৪৫ নমুনায় একজন এবং মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ১৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় একজন আক্রান্ত পাওয়া যায়। নমুনা সংগ্রহের বিভিন্ন কেন্দ্রে ৪১ জনের এন্টিজেন টেস্ট করা হলে মিরসরাই উপজেলার ২ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে।
এদিন সবচেয়ে বেশি ২০১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ল্যাবে। এছাড়া, মেডিক্যাল সেন্টার হাসপতালে ১২, এপিক হেলথ কেয়ারে ১৮ এবং এভারকেয়ার হসপিটালে ৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। চার ল্যাবে ২৩৭ জনের নমুনায় একটিতেও ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে সংক্রমণ হার পাওয়া যায়, বিআইটিআইডি’তে ৯ দশমিক ০৯, চমেকহা’য় ৮ দশমিক ৩৩, আরটিআরএলে ২০ শতাংশ, শেভরনে ২ দশমিক ০৪, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৪ দশমিক ১৬, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ২ দশমিক ২২, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ৫ দশমিক ৮৮ এবং এন্টিজেন টেস্টে ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতাল, এপিক হেলথ কেয়ার, এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও এভারকেয়ার হসপিটাল ল্যাবে সংক্রমণ হার ছিল ০ শতাংশ।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট

একটি মন্তব্য

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থা ভালো

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী