ভিতরে

চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত আরও ৪৫১ জন, মৃত্যু ৬

চট্টগ্রামে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪৫১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত  হয়েছে। সংক্রমণ হার ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এ সময়ে ৬ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। 
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রিপোর্টে  আজ এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, এন্টিজেন টেস্ট ও সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ছয়টি ল্যাবে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ১ হাজার ২৬২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। 
নতুন পজিটিভ ৪৫১ জনের মধ্যে শহরের বাসিন্দা ২৩৭ জন ও আনোয়ারা ছাড়া বাকী তেরো উপজেলার ২১৪ জন। 
উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে ফটিকছড়িতে সর্বোচ্চ ৬৩ জন, চন্দনাইশে ৩০ জন, হাটহাজারীতে ২৯ জন, মিরসরাই ও সন্দ্বীপে ১৪ জন করে, রাউজান ও সাতকানিয়ায় ১১ জন করে, বোয়ালখালী ও সীতাকু-ে ১০ জন করে, লোহাগাড়ায় ৭ জন, পটিয়া ও বাঁশখালীতে ৬ জন করে এবং রাঙ্গুনিয়ায় ৩ জন রয়েছেন। 
জেলায় করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ৭৪ হাজার ২৬১ জন। এর মধ্যে শহরের বাসিন্দা ৫৬ হাজার ১৮২ জন ও গ্রামের ১৮ হাজার ৭৯ জন। 
গতকাল করোনায় আক্রান্তদের মাঝে শহরের ৬ রোগী মারা যান। ফলে মৃতের সংখ্যা এখন ৮৬৮ জন হয়েছে। এতে শহরের বাসিন্দা ৫৩৬ জন ও গ্রামের ৩৩২ জন। সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন নতুন ৩২৯ জন। ফলে মোট আরোগ্য লাভকারীর সংখ্যা ৫৩ হাজার ৬৬২ জনে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭ হাজার ৪৬১ জন এবং ঘরে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসায় সুস্থ হন ৪৬ হাজার ২০১ জন। 
হোম কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনে নতুন যুক্ত হন ১৯১ জন, ছাড়পত্র নেন ১৪৫ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ২ হাজার ২৬৬ জন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গতকাল ৬ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে চলতি মাসের প্রথম বাইশ দিনে চট্টগ্রামে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬১ জনে। 
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে গতকাল সবচেয়ে বেশি ৬৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এখানে শহরের ৯০ জন ও গ্রামের ১০৪ জন জীবাণুবাহক পাওয়া যায়। 
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ১৫৪ জনের নমুনার মধ্যে শহরের ৭১ ও গ্রামের ১২ জন আক্রান্ত শনাক্ত হন। 
ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৬৮ টি নমুনার মধ্যে শহরের ২ ও গ্রামের ২৪ টিতে ভাইরাস পাওয়া যায়। 
১৬৫ জনের এন্টিজেন টেস্টে গ্রামের ৫৯ জনের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। নগরীর বিশেষায়িত কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ পরীক্ষিত ২৫ টি নমুনায় গ্রামের ১০ টির পজিটিভ রেজাল্ট আসে। 
নগরীর বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মধ্যে শেভরনে ১৩৭ টি নমুনা পরীক্ষা করে গ্রামের একটিসহ ৫৫ টি এবং মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩৩ টি নমুনায় শহরের ২০ ও গ্রামের ৪ টিতে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলে। 
এদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল, মেডিকেল সেন্টার ও এপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবরেটরিতে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়নি। চট্টগ্রামের কোনো নমুনা কক্সবাজার মেডিকেল কলেজেও পাঠানো হয়নি।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট পর্যবেক্ষণে সংক্রমণ হার পাওয়া যায়, বিআইটিআইডি’তে ২৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ, চমেকে ৫৩ দশমিক ৮৯, সিভাসু’তে ৩৮ দশমিক ২৩, এন্টিজেন টেস্টে ৩৫ দশমিক ৭৬, আরটিআরএলে ৪০ শতাংশ, শেভরনে ৪০ দশমিক ১৪ এবং মা ও শিশু হাসপাতালে ৭২ দশমিক ৭২ শতাংশ। 

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট
উত্তর দিন

মন্তব্য করুন

বাগেরহাটে ইজিবাইক ও ট্রাকের সংঘর্ষে ৬ জন নিহত

পদ্মা সেতুর পিলারের সঙ্গে ফেরি শাহজালালের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত