ভিতরে

চট্টগ্রাম বন্দরে কোন কন্টেইনার জট নেই : সিপিএ

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কোন কন্টেইনার জট নেই এবং বন্দর দিয়ে আমদানি ও রফতানি স্বাভাবিকভাবে চলছে।
বাসস’র সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমদানি এবং রফতানি স্বাভাবিকভাবে চলছে। বন্দরের ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৪৯ হাজার টুয়েন্টি ফুট ইকুয়েভেলেন্ট ইউনিট (টিইইউএস) এবং বর্তমানে কন্টেইনার রয়েছে ৩৫ হাজার টিইইউএস।”
তিনি জানান, বন্দর কর্তৃপক্ষ আগামীকাল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করে ভবিষ্যতে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং স্বাভাবিক রাখার পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বৈঠকে যোগ দেবেন।
তিনি জানান, আমদানী ও রফতানিকারকদের জন্য ভাল সেবা নিশ্চিত করতে সিপিএ কর্মকর্তারা মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
সিপিএ প্রধান বলেন, কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং স্বাভাবিক রাখতে আগাম পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সিপিএ গত ২ জুলাই এক চিঠির মাধ্যমে প্রাইভেট ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোগুলোকে আইসিডিমুখী আমদানি দ্রুত সম্পন্ন এবং বন্দরের কন্টেইনারগুলো খালি করতে বলেছে।
সিপিএ প্রধান বলেন, কোভিড ১৯ মহামারি সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দর ২০২০-২১ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ ৩০ লাখ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করেছে।
সিপিএ সূত্র জানায়, তারা ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২৭,৯৭,১৯০ টিইইউএস কন্টেইনার এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩০,৯৭,২৩৬ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করেছে।
এসব কন্টেইনারের মধ্যে প্রায় ১৬.৫৮ লাখ টিইইউএস আমদানি পণ্যের এবং ১৪,৩৮ লাখ টিইইউএস রফতানি পণ্যের। গত অর্থবছরে কার্গো হ্যান্ডেলিং করা হয়েছে ১১ কোটি ৩৭ লাখ টন।
এছাড়া, ২০২১ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট ৪,০৬২ টি জাহাজ আসা-যাওয়া করেছে। এখন বড় আকারের জাহাজ বন্দরের জেটিতে ভিড়তে পারে। বন্দর কর্তৃপক্ষ এটিকে তাদের সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর এখন কন্টেইনার, কার্গো গুডস এবং জাহাজ চলাচল এই তিন ক্যাটাগরিতেই অগ্রসর হয়েছে।
মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মহামারি চলাকালে একদিনের জন্যেও বন্দর বন্ধ থাকেনি এবং ২৪ ঘন্টা কার্যক্রম অব্যাহত ছিল বলে গত এক বছরে ৩০ লাখ টিইইউএস’র বেশী কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করা সম্ভব হয়েছে।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট
উত্তর দিন

মন্তব্য করুন

ডিজিটাল কমার্সের আওতায় এমএলএম ব্যবসা করা যাবে না

ইন্দোনেশিয়ায় ব্যস্ত হাসপাতালগুলোতে জরুরিভাবে অক্সিজেন সরবরাহের নির্দেশ