ভিতরে

কোপা আমেরিকায় ফেবারিট ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার বাধা উরুগুয়ে

এবারো কোপা আমেরিকায় শিরোপা জয়ের জন্য ফেভারিট স্বাগতিক ব্রাজিল। ভাগ্য দেবীর কৃপাও তাদের পক্ষে। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ফাইনালে উঠার পথটিও এখনো পর্যন্ত বেশ মসৃণ রয়েছে।
তবে নক আউট পর্বের ড্র অনুযায়ী সেমি ফাইনালেই পরস্পরের দেখা হয়ে যেতে পারে তাদের দুই শিরোপা প্রতিদ্বন্দ্বি আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের। গতকাল মঙ্গলবার এই গ্রুপের শেষ দুটি ম্যাচ শেষ হবার পর চুড়ান্ত হয়েছে নক আউট পর্বের ড্র।
বলিভিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ সেরা আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে ইকুয়েডরকে। টুর্নামেন্টে এখনো কোন জয়ের দেখা পায়নি ইকুয়েডর। তবে রোববার স্বাগতিক ব্রাজিলকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেয় দক্ষিন আমেরিকা অঞ্চল থেকে বিশ^কাপ বছাইয়ে তৃতীয় অবস্থানে থাকা দলটি।
আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন,‘ ইকুয়েডরের প্রতি আমাদের যথেষ্ট সমীহ রয়েছে। তারা নিদেজের সামর্থ্যের প্রমান দিয়েছে। তারুণ্য নির্ভর এই চৌকষ দলটি আমাদের বিপক্ষে তীব্র লড়াই করবে।’
লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টিনা যদি স্বদেশি কোচ গুস্তাভো আলফারোর শিষ্যদের হারাতে পারে তাহলে সেমি ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে হয় উরুগুয়ে , নতুবা কলম্বিয়াকে। তাদের  সাম্প্রতিক যে পারফর্মেন্স রেকর্ড, তাতে আর্জেন্টিনাকে বেশ প্রতিরোধের মুখেই পড়তে হবে। শুধু তাই নয় ২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত বিশ^কাপের শেষ ষোলতে ২-০ গোলে জয়লাভ করেছিল কলম্বিয়া।
সোমবার প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়েই উরুগুয়ে পরের রাউন্ডে কলম্বিয়াকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে। ম্যাচে জয়সুচক একমাত্র গোলটি করেছেন এডিনসন কাভানি। উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজ বলেন,‘ কোপায় আমরা ক্রমেই উন্নতি লাভ করছি এবং এগিয়ে যাচ্ছি। তবে আমাদের খেলার মান আরো উন্নত করতে হবে এবং জয়লাভ করতে হবে। এর দুইটিই এখন ঘটছে।’
এ পর্যন্ত কোপা আমেরিকায় ১৫বার শিরোপা জয় করেছে উরুগুয়ে। যার সর্বশেষ শিরোপা ঘরে তুলেছে ২০১১ সালে। অপরদিকে ১৯৯৩ সাল থেকে শিরোপা খরায় থাকা আর্জেন্টিনা ২০১৪ সালে সর্বশেষ কোপা জয় করেছে।
এবার ১০ম বারের মত কোপার শিরোপা জয়ের লক্ষ্য স্থির করেছে স্বাগতিক ব্রাজিল। নেইমারের ব্রাজিলের  সামনে নকআউট পর্বে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিলি। গ্রুপ পর্বে শুধু মাত্র বলিভিয়ার বিপক্ষে জয়লাভ করেছে চিলি। তবে ইনজুরির কারণে গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহন থেকে বঞ্চিত হওয়া স্ট্রাইকার অ্যালেক্সিস সানচেজের প্রত্যাবর্তন দলটিতে বাড়তি শক্তি যোগাতে পারে।
শুক্রবার চিলির বিপক্ষে জয় পেলে সেমি-ফাইনালে পেরু অথবা প্যারাগুয়েকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দুটি দলই সম্প্রতি ব্রাজিলের কাছে হেরেছে কোন রকম প্রতিবন্ধকতা ছাড়া। কোপা শুরুর আগমুহুর্তে গত ৮ জুন বিশ^কাপের বাছাইপর্বে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে তাদের মাটিতেই ২-০ গোলে জয়লাভ করেছিল নেইমারের দল। এর কয়েকদিন পর কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বে পেরুকে ৪-০ গোলে হারায় সেলেকাওরা।
ব্রাজিলের আরেকটি সুবিধা হচ্ছে নকআউট পর্বের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ দলগুলোকে তারা পাচ্ছে রিওতেই। যার খুব কাছে টেরেসোপলিসের গ্রাজা কম্যারিতে অনুশীল ঘাঁটি গেড়েছে দলটি। আগামী ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে কোপা আমেরিকার ফাইনাল ম্যাচ।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট
উত্তর দিন

মন্তব্য করুন

২০২১-২২ অর্থবছরের ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

জার্মানীকে হতাশ করে শেষ আটে ইংল্যান্ড