ভিতরে

বগুড়ায় খামার গুলোতে এবার পৌনে ৪ লাখ কোরবানী যোগ্য পশু প্রস্তত

জেলায় চাহিদার চেয়ে বেশি কোরবানীর যোগ্য পশু প্রস্তুত আছে। জেলায় কোরবানীর পশুর চাহিদা ৩ লাখ ২৬ হাজার। এ বার ৩ লাখ ৭০ হাজার কোরবানী যোগ্য পশু প্রস্তুত আছে এমনটি জানালেন জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রফিকুল ইসলাম।  গত বছর কোরবানী পশুর চাহিদা ছিল ৩ লাখ ২৬ হাজার । কিন্তু করোনর কারণে জেলায় ১৪ হাজার  কোরবানীর পশু উদ্বৃত্ব ছিল।  মহামারি করোনা ঢেউ মেকাবিলা করা নিয়ে জেলা প্রশাসন ও প্রাণি সম্পদ বিভাগ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনেই হাটে পশু বেচা-কেনার নানা কৌশল ঠিক করা হবে বলে জানা গেছে।
 জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জানান, তিন্ িইতমধ্যে বেশ কয়েকটি পশুর খামার পরির্দন করেছেন। অনেকে করোনার কথা চিন্তা করে কোরবানীর হাটের বদলে বড় বড়  পশুর খামার থেকে এরই মধ্যে পশু কিনেছে । তিনি আরো জানান পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেলায় ক্রয় বিক্রয়ের জন্য ফেসবুক ভিত্তিক অন  লাইন ভিত্তি প্ল্যাটফর্ম “বগুড়ার পশুর হাট” তেরি করা হয়েছে। এ করোনার সময় মানুষকে হাটে যাওয়া থেকে নিবৃত্ত করতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। কারণ হাটে স্বাস্থ্য বিধি রক্ষাকরা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।  জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে  দফায় দফায় মিটিং  চলছে  , কেমন করে কোরবানীর হাট গুলোতে   স্বাস্থ্য বিধি রক্ষা করা যায়। 
জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ জানায়, যাদের বাড়িতে করোনার ছোবল হানা দিয়েছে তারা বেশ সচেতন হয়েছেন। তারা ইতোমধ্যে গ্রামে গৃহস্থদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানীর পশু কিনে রাখছেন। আর গৃহস্থদের কোরবানী পর্যন্ত পশুর খাবার খরচ ও লালন পালনের ভার দিচ্ছেন। প্রাণি সম্পদকর্মকর্তা জানান, তিনি বেশ কয়েটি খামার পরিদর্শন করেছেন তারা তাকে জানিয়েছেন এরই মধ্যে অনেকে তাদের খামারে  গরু দেখছেন। পশু ক্রয় করে খামারে লালন পালনের ভারও নিচ্ছেন। তিনি জানান জেলা বগুড়া ভান্ডার এগ্রো ফার্মে এবার কোরবানী যোগ্য ৯০ টি গরু আছে। এরই মধ্যে ষেখানকার ৩০ টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে। কাহালুতে এক খামারী মাসুদ রানার গরু খামার পরিদর্শন করেছেন। সেখানে একটি গরুর বিশাল গরু দাম হেঁকেছেন ১৬ লাখ টাকা। 
জেলায় এখন ছোট বড় ৪২ হাজার পশুর খামার গড়ে উঠেছে। এসব খামারের গরু,ছাগল,ভেড়া, মহিষ লালন পালন করা হচ্ছে। এবার হাটে দুম্বা বিক্রি হবে বলে জানা গেছে।
তবে ঈদুল আযহায় পশুর হাটে স্বাস্থ্য বিধি মেনে কিভাবে কোভিড মোকাবিলা করা যায় সেই বিষয় নিয়ে কোভিড কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। হাটে স্বাস্থ্য বিধি মেনে কোরবানির পশুহাট বৃহৎ পরিসরে করা যায় সে ব্যাপার নিয়ে ভাবছে জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ। যাতে শারীরিক দূরুত্ব বজায় রাখা যায়।

আপনি কি মনে করেন?

0 টি পয়েন্ট
উপনোট ডাউনভোট
উত্তর দিন

মন্তব্য করুন

নাটোরের ৮ পৌরসভা এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধ

নড়াইলে আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত